ঢাকা, ১৯ আগস্ট- ২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার : কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তায় ব্রি-৯৮ জাতের আউশ ধান বিরাট ভূমিকা রাখবে।
দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও দিন-দিন কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল এ দেশের ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান ঠিক রাখতে হলে একই জমি থেকে বছরে বার বার ফসল ফলাতে হবে। ফসল উৎপাদনও বেশি হতে হবে।
সাধারণত ১৪০-১৬০ দিনের মধ্যে ধান হয়, সেই ধান যদি ৯০-১০০ দিনের মধ্যে হয়, তাহলে সেটি হবে বিরাট সম্ভাবনাময় ফসল। ব্রি৯৮ আউশ ধান এই সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। ৯০-১০০ দিনের মধ্যে প্রতি বিঘায় ফলনও হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ মণ। এ জাতটি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে খাদ্য নিরাপত্তায় বিরাট ভূমিকা রাখবে।
কৃষিমন্ত্রী ১৯ আগস্ট শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে মুশুদ্দি গ্রামে ব্রি-৯৮ জাতের আউশ ধানের খেত পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
ড. রাজ্জাক বলেন, ‘উন্নত জাতের অভাব এবং খরা, বন্যা ও অতিবৃষ্টির ঝুঁকির কারণে দেশে এখন আউশ ধানের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। বেড়েছে বোরো ও আমনের চাষ। ইতোমধ্যে আমাদের বিজ্ঞানীরা স্বল্পজীবনকালীন উন্নত জাতের আউশ ধান উদ্ভাবন করেছেন। ব্রি-৯৮ মাঠে খুবই সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। এ জাতটি মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয় করতে পারলে দেশে আউশ আবার বড় ফসলে পরিণত হবে। একইসঙ্গে, এটি লাভজনক ফসল হিসাবে কৃষকের মুখে হাসি ফোটাবে।'
এ সময় কৃষক ইকবাল একই জমিতে বছরে ৪টি ফসল ঘরে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ব্রি-৯৮ জাতের এই আউশ ধানটি ২০ দিনের চারাসহ মোট ৯৮ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে কর্তন করেছেন। এর আগে তিনি এই জমিতে বোরো মৌসুমে ব্রি-৯৬ জাতের ধান চাষ করেছিলেন। এখন তিনি ব্রি-৭৫ জাতের আমন লাগাবেন এবং আমন কেটে স্বল্প জীবনকালীন সরিষার আবাদ করবেন।
bongotv / স্টাফ রিপোর্টার
আপনার মতামত লিখুন: